Madhyamik Geography Syllabus 2026 | মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস ২০২৬
Madhyamik Geography Syllabus 2026 (মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস ২০২৬) টপিকটি এই মুহূর্তে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। শুধুমাত্র ২০২৭ সাল নয়, মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত একজন দশম শ্রেণির ছাত্র বা ছাত্রীর কাছে এই সিলেবাসের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। শুধুমাত্র একজন ছাত্র বা ছাত্রীর কাছেই এই সিলেবাসের গুরুত্ব আটকে থাকে না, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক প্রত্যেকের কাছেই WBBSE Madhyamik Geography Syllabus 2026 এর সঙ্গে সঙ্গে Madhyamik All Subjects Syllabus 2026 সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিষয় হোক, কিংবা মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিই হোক, কোনও বিষয়ের সিলেবাস জানা না থাকলে পাঠ পরিকল্পনা, বা মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি সংক্রান্ত পরিকল্পনা করা একপ্রকার অসম্ভব। তাই বিদ্যালয়ে পাঠরত দশম শ্রেণির সমস্ত ছাত্র ছাত্রীদের Madhyamik Geography Syllabus জানা অত্যন্ত জরুরি।
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board of Secondary Education) কর্তৃক প্রকাশিত পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের অধীনস্থ মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস ২০২৬ (Madhyamik Geography Syllabus 2026 West Bengal Board) এই আর্টিকেলে সম্পূর্ণ এবং বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
![]() |
| Madhyamik Geography Syllabus 2026 |
Madhyamik Geography Syllabus 2026 Overview
- জানুয়ারি থেকে এপ্রিল: বিদ্যালয়গুলিতে প্রথম প্রস্তুতিকালীন মূল্যায়ন এই সময় হয়ে থাকে। এই সময় ভূগোলে ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হয় এবং প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ থাকে ১০ নম্বর। মোট ৫০ নম্বর।
- মে থেকে আগস্ট: এই সময় হচ্ছে দ্বিতীয় প্রস্তুতিকালীন মূল্যায়নের সময়। এই সময় ভূগোলে ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হয় এবং প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ থাকে ১০ নম্বর। মোট ৫০ নম্বর।
- সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর: এই সময় মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা হয়। এতে ৯০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হয় এবং ১০ নম্বর থাকে প্রকল্পের জন্য। মোট ১০০ নম্বর।
মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস ২০২৬ এক নজরে
- শিরোনাম: মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস ২০২৬
- বিষয়: ভূগোল
- বোর্ড: পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ
- সাল: ২০২৬
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: wbbse.wb.gov.in
মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস জানা কেন জরুরি?
- সঠিক ও লক্ষ্যভিত্তিক পড়াশুনা সম্ভব: সিলেবাস জানা থাকলে একজন ছাত্র বা ছাত্রী বুঝতে পারে কোন অধ্যায়গুলি অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং কোথা থেকে কত নম্বরের প্রশ্ন আসে। এটি আপনাকে সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management) করতে সাহায্য করে, যাতে পরীক্ষার আগে কোন অংশ বাদ না পড়ে।
- পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি: মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র সিলেবাস অনুযায়ী হয়, সিলেবাসের বাইরে কোনও প্রশ্ন হয় না। তাই সিলেবাস জানা থাকলে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলি মিস হয় না। মাধ্যমিকের মানচিত্রের অংশগুলিও সঠিকভাবে প্রস্তুত করা যায়।
- সময় ব্যবস্থাপনা সহজতর হয়: মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস সিলেবাস ২০২৬ আগেভাগে জানা থাকলে পড়ার রুটিন তৈরি করার সহজ হয়। এবং শেষ মুহূর্তে পরীক্ষার চাপ কমে।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক ধারণা তৈরি করে: ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ, যথা: ভারতের কৃষি, ভারতের শিল্প, ভারতের খনিজ সম্পদ, ভারতের পরিবহন ব্যবস্থা, ভারতের জনসংখ্যা ইত্যাদি বিষয়গুলি জানা থাকলে ভারতের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয় সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়। বিশেষ করে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্পর্কে জ্ঞান দৈনন্দিন জীবনেও কাজে লাগে।
- আধুনিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়: মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাসে উপগ্রহ চিত্র ও ভূবৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র অন্তর্ভুক্ত। এই বিষয়গুলি একজন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর কাছে এবারে নতুন, তাই আধুনিক যুগে রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি কিভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে তার প্রাথমিক ধারণা এই অংশ থেকেই পাওয়া যায়।
- ভূগোল বিষয়ের মূল ধারণা স্পষ্ট হয়: Madhyamik Geography Syllabus 2026 এ ভূগোলের মূল বিষয় সম্পর্কে ধারণা সুস্পষ্ট হয়। যেমন প্রাকৃতিক ভূগোল অংশে নদীর কাজ, হিমবাহের কাজ, বায়ুর কাজ, বায়ুমণ্ডল অধ্যায় থেকে আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়াও অর্থনৈতিক ভূগোল অংশে ভারতের কৃষিকাজ, খনিজ সম্পদ, বনজ সম্পদ, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থাব্যবস্থা ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি প্রকৃতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
Madhyamik Geography Question Pattern (মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্নপত্রের ধরণ)
বিভাগ - ক
- প্রশ্নের ধরণ: বহুবিকল্পভিত্তিক উত্তরধর্মী প্রশ্ন (MCQ)।
- প্রতিটি প্রশ্নের মান: ১
- অবশ্য করণীয় প্রশ্নের সংখ্যা: ১৪
- মোট নম্বর: ১×১৪ = ১৪
- মোট প্রশ্নের সংখ্যা: ১৪
- প্রশ্নের প্রকৃতি: এখানে মূলত তথ্য ও ধারণাভিত্তিক প্রশ্ন হয়।
বিভাগ - খ
- প্রশ্নের ধরণ: অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন।
- প্রতিটি প্রশ্নের মান: ১
- অবশ্য করণীয় প্রশ্নের সংখ্যা: ২২
- মোট নম্বর: ১×২২ = ২২
- মোট প্রশ্নের সংখ্যা: ২৬
- প্রশ্নের প্রকৃতি: শূন্যস্থান পূরণ, সত্য অথবা মিথ্যা, স্তম্ভ মেলানো, দু-এক কথায় উত্তর।
বিভাগ - গ
- প্রশ্নের ধরণ: সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন।
- প্রতিটি প্রশ্নের মান: ২
- অবশ্য করণীয় প্রশ্নের সংখ্যা: ৬
- মোট নম্বর: ২×৬ = ১২
- মোট প্রশ্নের সংখ্যা: ১২
- প্রশ্নের প্রকৃতি: কী, কোথায় ধরনের প্রশ্ন।
বিভাগ - ঘ
- প্রশ্নের ধরণ: সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তরধর্মী প্রশ্ন।
- প্রতিটি প্রশ্নের মান: ৩
- অবশ্য করণীয় প্রশ্নের সংখ্যা: ৪
- মোট নম্বর: ৩×৪ = ১২
- মোট প্রশ্নের সংখ্যা: ৮
- প্রশ্নের প্রকৃতি: প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা তিনটি করে তুলনা অথবা পার্থক্য অথবা যুক্তির উল্লেখ করবে।
বিভাগ - ঙ
- প্রশ্নের ধরণ: দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন।
- প্রতিটি প্রশ্নের মান: ৫
- অবশ্য করণীয় প্রশ্নের সংখ্যা: ৪
- মোট নম্বর: ৫×৪ = ২০
- মোট প্রশ্নের সংখ্যা: ৮
- প্রশ্নের প্রকৃতি: কার্তিক ভূগোল থেকে এমন প্রশ্ন থাকে যেখানে রেখাচিত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকে। আঞ্চলিক ভূগোল থেকে "কিভাবে" ও "কেন" এই ধরনের প্রশ্ন হয়।
বিভাগ - চ
- প্রশ্নের ধরণ: মানচিত্র অঙ্কন।
- প্রতিটি প্রশ্নের মান: ১
- অবশ্য করণীয় প্রশ্নের সংখ্যা: ১০
- মোট নম্বর: ১×১০ = ১০
- মোট প্রশ্নের সংখ্যা: ১০
- প্রশ্নের প্রকৃতি: ভারতের প্রদত্ত রেখামানচিত্রে ভৌগোলিক বিষয়সমূহের নামসহ চিহ্নিতকরণ।
Madhyamik Geography Syllabus 2026 (মাধ্যমিক ভূগোল সিলেবাস ২০২৬) বিস্তারিত
- প্রাকৃতিক ভূগোল
- পরিবেশ ভূগোল
- আঞ্চলিক ভুগোল
- উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্রসূচক মানচিত্র
প্রাকৃতিক ভূগোল
বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ
- বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ
- নদীর বিভিন্ন কাজ, যেমন ক্ষয় কাজ, বহন কাজ, সঞ্চয় কাজ। এই সমস্ত কাজগুলি দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ।
- নদীর মোহনায় বদ্বীপ সৃষ্টির কারণ, গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার বদ্বীপের সক্রিয় অংশের (সুন্দরবন) উপর পৃথিবীব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব।
- হিমবাহের বিভিন্ন কাজ, যেমন ক্ষয় কাজ, বহন কাজ ও সঞ্চয় কাজ দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ।
- বায়ুর ক্ষয় কাজ, বহন কাজ ও সঞ্চয় কাজ দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ।
- বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ।
বায়ুমণ্ডল
- বায়ুমণ্ডলের ধারণা ও উপাদান।
- উপাদান ও উষ্ণতার ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস।
- বায়ুমন্ডলের তাপ, উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন।
- বায়ুর চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ। নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, সাময়িক বায়ুপ্রবাহ, স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ, আকস্মিক বায়ুপ্রবাহ, ঘূর্ণবাত, প্রতীপ ঘূর্ণবাত, ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত, নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবাত ইত্যাদি।
- আদ্রতা ও অধ:ক্ষেপণ ইত্যাদি।
বারিমন্ডল
- সমুদ্রস্রোতের ধারণা
- সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির কারণ
- বিভিন্ন মহাসাগরের স্রোত সমূহের বিবরণ
- পৃথিবীব্যাপী সমুদ্র স্রোতের প্রভাব
- জোয়ার ভাটার ধারণা, জোয়ারভাটা সৃষ্টির কারণ ও তার ফলাফল। এই অংশে আছে মুখ্য জোয়ার, গৌণ জোয়ার, জোয়ার ভাটার সময়ের ব্যবধান, ভরা কোটাল, মরা কোটাল, সিজিগি, অ্যাপোজি, পেরিজি, বানডাকা ইত্যাদি।
পরিবেশ ভূগোল
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
- বর্জ্যের ধারনা। কঠিন, তরল, গ্যাসীয়, বিষাক্ত ও শিষহীন বর্জ্যের ধারণা।
- বর্জ্য পদার্থের উৎস ও প্রভাব। সংক্ষেপে বর্জ্যের উৎসের ধারণা - গৃহস্থালির বর্জ্য, চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য, শিল্পজাত বর্জ্য, কৃষিজাত বর্জ্য, পৌরসভার বর্জ্য, জৈব বর্জ্য, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য। পরিবেশের উপর বর্জ্যের প্রভাব।
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদ্ধতি।
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা।
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীর ভূমিকা।
- ভাগীরথী ও হুগলি নদীর উপর বর্জ্যের প্রভাব।
আঞ্চলিক ভূগোল
- ভারত - ভূমিকা: ভারতের অবস্থান ও প্রশাসনিক বিভাগ। ভারতের বিস্তৃতি ও সীমা নির্ধারণ। স্বাধীনতা উত্তর ভারতে রাজ্যগুলির বিন্যাসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। ভারতের বর্তমান রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সমূহের বিবরণ।
- ভারতের প্রাকৃতিক পরিবেশ: ভারতের ভূপ্রকৃতি, ভারতের ভূ প্রাকৃতিক বিভাগ, উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল উত্তরের সমভূমি অঞ্চল, উপদ্বীপীয় মালভূমি অঞ্চল, উপকূলীয় সমভূমি অঞ্চল, দ্বীপপুঞ্জ।
- ভারতের জল সম্পদ: ভারতের জল সম্পদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়, নদ নদী, জলাশয়, হ্রদ, খালের বন্টন ও মানব জীবনে এদের গুরুত্ব। জল সেচের বিভিন্ন পদ্ধতি (কূপ, নলকূপ, খাল), ভৌমজলের অতিরিক্ত ব্যবহার ও তার প্রভাব। বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনা। জল সংরক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি, জল সংরক্ষণের গুরুত্ব। বৃষ্টির জল সংরক্ষণ, বৃষ্টির জল সংরক্ষণে তামিলনাড়ু রাজ্যের ভূমিকা।
- ভারতের জলবায়ু: ভারতের জলবায়ুর বৈচিত্র, ভারতের জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক সমূহ, ভারতের জলবায়ুতে হিমালয় পর্বতের ভূমিকা, মৌসুমী বায়ু, জেট বায়ু ,ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এল নিনো লা-লিনার প্রভাব। মৌসুমী বায়ু ও ভারতের ঋতুবৈচিত্র। গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল ও শীতকাল। মৃত্তিকা, স্বাভাবিক উদ্ভিদ, কৃষি কাজের উপর মৌসুমি বৃষ্টিপাতের প্রভাব।
- ভারতের মৃত্তিকা: মৃত্তিকার শ্রেণিবিভাগ (পলি মৃত্তিকা, কৃষ্ণ মৃত্তিকা, লোহিত মৃত্তিকা, ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা, মরু মৃত্তিকা, পার্বত্য মৃত্তিকা)। মৃত্তিকার উপাদান ও বৈশিষ্ট্য, মৃত্তিকার আঞ্চলিক বন্টন, মৃত্তিকা ক্ষয়, মৃত্তিকা ক্ষয়ের কারণ, মৃত্তিকা ক্ষয়ের ফলাফল, মৃত্তিকা ক্ষয় ও তার প্রতিরোধ, মৃত্তিকা সংরক্ষণ।
- ভারতের স্বাভাবিক উদ্ভিদ: ভারতের স্বাভাবিক উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ (ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, ক্রান্তীয় পর্ণমোচী, ক্রান্তীয় মরু, পার্বত্য উদ্ভিদ ও ম্যানগ্রোভ অরণ্য)। স্বাভাবিক উদ্ভিদের আঞ্চলিক বন্টন, বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার। অরণ্য সংরক্ষণ, অরণ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি, বনসৃজন ও পুন:বনসৃজন, অরণ্য ব্যবস্থাপনা, সামাজিক বনসৃজন ও কৃষি বনসৃজন।
- ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ: ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশের যে অংশগুলি সিলেবাসের অন্তর্গত সেগুলি হলো (ক) ভারতের কৃষি: ভারতের কৃষির বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ। প্রধান প্রধান কৃষিজ ফসল (ধান, গম, মিলেট, ইক্ষু, কার্পাস, চা, কফি)। ব্যবহার অনুসারে ফসলের শ্রেণিবিভাগ, যেমন খাদ্য ফসল, তন্তুজ ফসল, বাগিচা ফসল অন্যান্য। ঋতু অনুযায়ী ফসলের শ্রেণিবিভাগ, যেমন খারিফ ফসল, রবি ফসল, জাহিদ ফসল। ভারতীয় কৃষির সমস্যা ও সমাধান ইত্যাদি। (খ) ভারতের শিল্প: ভারতের লৌহ-ইস্পাত শিল্প, কার্পাস বয়ন শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প, পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প, অটোমোবাইল শিল্প, তথ্য-প্রযুক্তি শিল্প। (গ) ভারতের জনসংখ্যা: আদমসুমারির ধারণা, ২০১১ সালের আদমসুমারি অনুসারে ভারতের মোট জনসংখ্যা, পুরুষ ও মহিলা জনসংখ্যা ও দশকীয় জনবৃদ্ধির হার, প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা, নির্ভরশীল জনসংখ্যা, সাক্ষরতার হার, কর্মে নিযুক্ত জনসংখ্যা, প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল, প্রাথমিক, গৌণ, ও প্রগৌণ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিযুক্ত জনসংখ্যার শতাংশ পরিমাণ। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে জনসংখ্যা বন্টনের তারতম্যের কারণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ধারণযোগ্য উন্নয়ন, জনঘনত্বের ধারণা, নগরায়ন, নগরায়নের সমস্যা। (ঘ) ভারতের পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা: পরিবহনের গুরুত্ব, পরিবহনের মাধ্যম, সড়কপথ, রেলপথ, জলপথ, আকাশ পথ, রজ্জুপথ, পাইপলাইন, পাতাল রেলের গুরুত্ব। প্রধান প্রধান সামুদ্রিক বন্দর ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা - ইন্টারনেট, ই-মেইল, সেল ফোন প্রভৃতি।
উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্রসূচক মানচিত্র
- উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র সম্পর্কে ধারণা।
- উপগ্রহ চিত্র ও ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের মধ্যে পার্থক্য।
- ভূ-বৈচিত্রসূচক মানচিত্রে বিভিন্ন ধরনের স্কেলের ব্যবহার।
- উপগ্রহ চিত্রের বৈশিষ্ট্য, গুরুত্ব ও ব্যবহার।
